জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৩১ রান করেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। এছাড়া ২১ রান করেন ওয়েসলি মাধেভেরে। আফগানিস্তানের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন রশিদ খান, তিনি ৪টি উইকেট নেন। নাভিন উল হক, মুজিব উর রহমান এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই ২টি করে উইকেট নেন।
১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান কিছুটা চাপে পড়ে। ৪৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তবে পঞ্চম উইকেটে গুলবদিন নাইব এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ৪৮ রানের জুটিতে পরিস্থিতি ঘুরিয়ে তোলে আফগানিস্তান। আজমতউল্লাহ সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন, গুলবদিন করেন ২২ রান।
জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা দলের পক্ষে দুটি উইকেট নেন এবং ৭৯ টি-টোয়েন্টি উইকেট নিয়ে রেকর্ড গড়েন। তবে তার সাফল্যও শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। কারণ, মোহাম্মদ নবী তখনও ক্রিজে ছিলেন। ১৮ বলে ৩ চারে ২৪ রান করে তিনি আফগানিস্তানকে জয় এনে দেন এবং সিরিজে ২-১ ব্যবধানে তাদের জয় নিশ্চিত করেন।