ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, আমরা আর কোনও রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হতে চাই না। আমাদের কাজের মাধ্যমে পুলিশকে মানুষের আত্মার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। কারও কোনও কষ্টের কারণ হতে চাই না। আন্তরিক সেবা দেওয়ার মাধ্যমে আপনাদের কষ্টের অংশীদার হতে চাই।
ডিবিপ্রধান বলেন, আমাদের কাজের মাধ্যমে পুলিশকে মানুষের আত্মার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। আমরা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে চাই। আপনারা যে কোনও প্রয়োজনে আসবেন, আমরা আপনাদের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।
রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্কটা খুবই নিবিড়। একে অন্যের পরিপূরক। পুলিশের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। একটি সুষ্ঠু সমাজ বিনির্মাণে এককভাবে পুলিশের পক্ষে কোনো কিছুই করা সম্ভব নয়, যদি না জনগণ তথ্য ও সহযোগিতা দিয়ে পাশে থাকে।
মতবিনিময় সভায় গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. তারেক মাহমুদ বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যার ফলে বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন এসেছে। পুলিশি সেবায়ও এসেছে আমূল পরিবর্তন। পুলিশকে আরও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি অনিক জাহান শাওন বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনার দেশ। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে সব দল ও মতের সমর্থন থাকবে। এই দেশের অপরাধ প্রতিরোধে আমরা পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। বিশেষ করে সমাজ থেকে কিশোর গ্যাং ও মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশে আমরাও দাঁড়াতে চাই। জনবান্ধব পুলিশি সেবার মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ হবে নিরাপদ ও সুন্দর।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছাত্র-জনতা ও বাড্ডা থানা এলাকার নাগরিকরা ডিবি প্রধানের কাছে তাদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
গুলশান বিভাগের ডিসি মো. তারেক মাহমুদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় পুলিশের গুলশান বিভাগের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা, বাড্ডা থানা এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ছাত্র আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।