
সম্পাদকীয়ঃ
মে দিবসের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার স্বীকৃতি এবং একদিনের আনুষ্ঠানিক আচরণ এখন একটি গতানুগতিক আচারে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব ব্যাপী শ্রমজীবীরা অবহেলিত জনগোষ্ঠী হয়ে আছে।
বাংলাদেশ জনসংখ্যা বহুল দেশ। কর্ম সংস্থান ও শ্রমের মর্যাদা একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া স্বত্তেও এর সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা খুবই অপ্রতুল।
আমাদের দেশের শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই কর্ম পাগল। এটা একটা সম্ভাবনাময় গুণ। এ গুণের সমাদর না করে এটাকে নিন্দনীয় ভাবে অপব্যবহার ও শোষণের প্রক্রিয়া চলছে।
এর লাগাম টেনে ধরতে হবে। দঃখজনক হলে সত্য যে, আমাদের দেশ শ্রমজীবী মানুষের অধিকার স্বীকৃতির প্রশ্নে এখনো ঔপনিবেশিক শাসনর ধাঁচে চলছে। রাষ্ট্রের নীতিমালা প্রণয়ন ও ক্ষমতায়নে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার নেই। সংসদে সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের পাশাপাশি শ্রমিক জনতা যেভাবে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছে, সে তুলনায় শ্রমিকেরা কি পেল?
জাতি হিসেবে আমাদের ভেবে দেখতে হবে শ্রমজীবি মানুষের জন্য আমরা কতটুকু অবদান রাখছি?
নূর মোহাম্মদ
সম্পাদক