দেশ থেকে স্বৈরাচার বিদায় নিয়ে দেশমাতৃকা এখন মুক্ত।পাচঁ আগষ্টের পতনের মধ্য দিয়ে একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। নতুন যুগের সুচনা।তিনদিন পর নতুন সরকারের শপথ। জাতি প্রত্যক্ষ করেছে অধীর আগ্রহ নিয়ে।
বঙ্গ ভবনের দরবার হল। জনাকীর্ণ সমাবেশ ভিআইপি সিআইপিদের ভীঁড়ে একজন বিলম্বে উপস্থিত। তিনি ড.মুহাম্মদ ইউনুস।কারণ রাস্তায় তখনো ট্রাফিক পুলিশ নেই।সড়ক ব্যবস্থাপনার কঠিন দায়িত্ব পালন করছেন আমার দেশের নতুন প্রজন্ম তরুণ তরুণীরা।যাদের হাজার খানেক তরুণ তরুণী শহীদ হয়ে এ নতুন দিনের সুচনা করে জাতিকে আরেকবার গণতন্ত্র বাকস্বাধীনতা উপহার দিতে চলেছেন।
ইতিমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের তালিকা বড়ো হতে চলেছে এবং পরিবর্তন ও লক্ষ্য করেছি আমরা। ছয়টি সংষ্কার কমিশন গঠিত হয়েছে। কাজ শুরু করেছেন কমিশনার মহোদয়গণ। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেড় বছরের মাথায় নির্বাচন করা যাবে বলে। আমরাও আশাবাদী।
এরচেয়ে বেশী সময় নিলে তা হবে নিশ্চিত বিড়ম্বনা। অনাহুত কালক্ষেপণ অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ এনে দিতে পারে।আমাদের দেশ জনসংখ্যা আর অপরিপক্কতায় মিলে অহেতুক রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষী মানুষের ও অভাব নেই বললে অত্যুক্তি হবে না।এজন্য রাজনৈতিক মতভেদ ও বিস্তর।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব ছিনিয়ে এনেছি আমরা, তা নস্যাত না হয়ে সফল ও সমৃদ্ধ হোক এ কামনা করছি।