আমাদের দেশে আসলে এত ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। অডিট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কিছু ব্যাংক আসলে মার্জ করে দেওয়া উচিত। তবে এই কাজটা সময়সাপেক্ষ। অন্তত দুই বছর প্রয়োজন। আগের সরকার ব্যাংক মার্জারের উদ্যোগ নিলেও তা পরিকল্পিত ছিল না। তাই সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। এখন বর্তমান সরকার যদি মার্জের কথা ভাবে, তাহলে এই প্রক্রিয়ার জন্যই আলাদা একটি টাস্কফোর্স গঠন করা দরকার।
বিগত সরকারের আমলে একাধিক ব্যবসায়ী আইন ভেঙে সীমাতিরিক্ত ঋণ নিয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কখনোই এক্সপোজার সীমা অতিক্রম করার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কারণ এটি সুশাসনের মধ্যে পড়ে না। যেসব বড় ঋণগ্রহীতা তাদের সামর্থ্যের বাইরে ঋণ পেয়েছেন, তারা এখন ঋণের সুদ পরিশোধ করতে পারছেন না। একক ঋণগ্রহীতার এক্সপোজার সীমা শুধু রমজানের পণ্য আমদানি এবং বিদ্যুৎ খাতের জন্য শিথিল করা যেতে পারে। কারণ দেশের জন্য বিদ্যুৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক।