প্রিয় নেতা মোঃ আমানউল্লাহ আমান ভাইয়ের নেতৃত্বে ছাত্রদলের আন্দোলন

 

প্রিয় নেতা মোঃ আমানউল্লাহ আমান ভাইয়ের নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রতিটা কর্মী সক্রিয় ভাবে বিভিন্ন স্পটে উপস্থিত থেকে, অবৈধ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছি। উত্তরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী সহ গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সকলের সরব উপস্থিতি ছিল। অনেকেই স্মার্ট ফোন বাসায় রেখে আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেছি।
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম দিন থেকে অর্থাৎ যখন কোটা সংস্কার আন্দোলন নামে আন্দোলন শুরু হলো তখন থেকে নানা কৌশলে ছাত্রদল ওতপ্রোতভাবে এই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলো। আন্দোলন দমনে সরকার যাতে ট্যাগ লাগাতে না পারে সেজন্য ছাত্রদলের নেতারা মিছিলের সামনে আসে নাই। ঢাবিতে যেদিন নির্বিচারে বোনদের ওপর হামলা হলো তারপরে কোটা আন্দোলনের স্লোগানগুলোকে সরকার বিরোধী স্লোগানে রুপ দেয়া এবং অত্যন্ত সুকৌশলে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রুপ দেয়ার সকল প্রকার প্রয়াস আমাদের ছিলো।
মিছিলের মধ্যে বা পিছনে থেকে সব রকম সহযোগিতা করে আন্দোলন বেগবান করার সর্বাত্মক চেষ্টা ছিলো আমাদের।
অন্যদিকে সরকার আন্দোলন দমনের জন্য যে গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করতেছিলো সেখানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছিলো। অবৈধ সরকারের এমন পরিকল্পনা ছিলো যে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছাত্রদলের এর আগের আন্দোলনে বিভিন্নভাবে আলোচিত দু’একজনকে গুম বা ক্রসফায়ারে দিয়ে মেসেজ দিয়ে দিবে কিন্তু আল্লাহর রহমতে সেটি আর হয়নি। এমন রিস্ক থাকা সত্ত্বেও আমরা আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য সমন্বয়কসহ সবার সাথে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রেখেছি কখন কি লাগে সেটার পর্যাপ্ত সাপোর্ট দিতে।
জুলাই অভ্যুত্থানে যাত্রাবাড়ী, মিরপুর ,মোহাম্মদপুর, উত্তরা সহ যে সব এলাকায় এবং বিভিন্ন থানায় অসাধারণ কাজ হয়েছে যা সাধারণেরা করে নাই
সবশেষে এক দফার পরে সাধারণ জনগণ সারাদেশে রাস্তায় নেমে পড়ে সেই সাধারণ জনগণের অধিকাংশই সেই অসাধারণ মানুষগুলো যারা বিগত ষোল বছর মামলা-হামলা ,জেল-জুলুম উপেক্ষা করে লড়ে গেছে। জুলাই অভ্যুত্থানে একক সংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ১৫০ এর অধিক নেতা-কর্মীরা শাহাদাৎ বরণ করেছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ,সাধারণ সম্পাদক সহ হাজার হাজার ছাত্রদলের নেতা-কর্মী জুলাই অভ্যুত্থানে আহত হয়েছে। এই পরিসংখ্যানের ধারে-কাছেও কোনো সংগঠন নেই। বিগত ষোল বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুজিববাদী ছাত্রলীগ সবচেয়ে বেশি দমন-পীড়ন চালিয়েছে আমাদের ওপর সেই অনুয়ায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খুঁজে খুঁজে ছাত্রলীগ মারার কথা কিন্তু আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি ০৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ছাত্রদল এমন কোনো কার্যক্রম করে নাই যে জন্য দেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম মুহূর্তের জন্য বিঘ্নিত হয়েছে। এতো নির্যাতিত হওয়ার পরেও এমন নজীরবিহীন ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতা ছাত্রদলই দেখাতে পারে।
অহেতুক ছাত্রদলের সমালোচনা বাদ দিয়ে শোডাউন আর জোর করে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে নেয়ার বিপরীতে মেধা মনন আর সৃজনশীল কাজ করে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশিত শিক্ষার্থী বান্ধব কল্যাণমুখী রাজনীতি চালুকরণে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কাজ করে যাচ্ছে সেই কাজে সহযোগিতা করুন।

দৈনিক বিডি নিউজ / সাইফুল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *