বিপিএল হাউজিং পূর্বাচল মডেল টাউন হলো বায়ো গ্রুপের অন্যতম অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এবং ঢাকার পূর্বাচলে অবস্থিত দেশের সুপরিচিত ডাক্তারদের মনোরম ও নান্দনিক একটি আবাসন প্রকল্প। কাজের অগ্রগতি ও সার্বিক বিষয়ে পর্যবেক্ষণের জন্য গত ৩০শে সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিপিএল হাউজিং এবং বায়ো গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন কাঞ্চন এলাকায় অবস্থিত বিপিএল হাউজিং এর পূর্বাচল মডেল টাউন প্রজেক্টটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় প্রজেক্টের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ পরিচালনা পর্ষদকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান এবং উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (চেয়ারম্যান), ডা. লকিয়ত উল্লাহ (ব্যবস্থাপনা পরিচালক), জনাব ডা. আনোয়ারুল আজিম (ভাইস চেয়ারম্যান), জনাব ডা. আলী আশরাফ (পরিচালক), জনাব প্রফেসর ডা. কামরুল হাসান (পরিচালক), জনাব সাইফুল আমিন (ডিএমডি প্ল্যান্ট), জনাব ডা. ফজলুর রহমান মজুমদার (পরিচালক), মোহাম্মদ জহিরুল হক (ডিরেক্টর প্রজেক্ট অপারেশন)। তারা বিশ্ব রোডের ৩০০ ফিট রাস্তার পাশে আমলাব ও নরাব মৌজায় কোম্পানির কেনা জমিগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
বায়োফার্মা ও বিপিএল হাউজিং এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ প্রজেক্টের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। পরিচালনা পর্ষদ অত্যন্ত মনযোগ সহকারে বিষয়গুলো শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন। প্রজেক্টের বর্তমান অবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও এই পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিচালনা পর্ষদকে স্বাগত জানান। এতে কয়েকজন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও উপস্থিত ছিলেন।

তারা পূর্বাচল বিপিএল টাউনের অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন যে এই প্রজেক্টের কারণে এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এছাড়া, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোম্পানির অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রজেক্টের একটি মেডিকেল কলেজ এবং ১০০ শয্যার একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দাবিও তোলেন, যা কোম্পানির সুনাম বৃদ্ধি করবে এবং এলাকাবাসী উপকৃত হবে বলে তারা জানান। পরিচালনা পর্ষদ প্রস্তাবিত প্ল্যান লে-আউট নিয়ে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্লাহ অবিলম্বে বালু ভরাট, রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ এবং প্রজেক্টের রাস্তায় ফলজ ও বনজ গাছের চারা লাগানোর নির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে প্রজেক্টটি আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠে। এছাড়া, প্রজেক্টে পর্যাপ্ত সিকিউরিটি, লাইট এবং সাইনবোর্ড স্থাপনের জন্যও নির্দেশনা প্রদান করেন। এলাকাবাসীর চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য শীঘ্রই একটি ক্লিনিক চালু করার নির্দেশ দেন। তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং অতীতের মতো সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।